ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১৬০ কোম্পানিতে

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-২৬ ০৮:১৩:৫৮ || আপডেট: ২০১৯-০৮-২৮ ০৯:১০:৫২

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৬০ কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে।পাশাপাশি কমেছে  ১০৯ প্রতিষ্ঠানে। গত জুলাই মাস শেষে তালিকাভুক্ত ৩১৮ কোম্পানির প্রকাশিত তথ্যে এ শেয়ার ধারণের চিত্র ওঠে এসেছে। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

অবশ্য এর বাইরে ১০টি কোম্পানির শেয়ার ধারণের হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়নি। এগুলো হলো- ইসলামিক ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং (বন্ধ), বিডি অটোকার, এপেক্স স্পিনিং, সিএনএটেক্স, এনভয়, তুংহাই নিটিং, গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন, লিবরা ও জেমিনি সি ফুডস।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার সর্বাধিক প্রায় ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে এসিআই লিমিটেডের। একই সময়ে পরিচালকদের শেয়ার কমেছে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ। এ কোম্পানির পর্ষদ থেকে প্রতিনিধি তুলে নেওয়ার কারণে আইসিবির শেয়ার এখন প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে এতটা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়েনি।

প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার বৃদ্ধির দিক থেকে এর পরের অবস্থানে থাকা কোম্পানিগুলো হলো- নিউ লাইন ক্লোথিংস, এবি ব্যাংক, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ফরচুন সুজ, প্রগ্রেসিভ লাইফ, ইনটেক, সিনোবাংলা, সি পার্ল। মোট শেয়ার বিবেচনায় এসব কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণের হার বেড়েছে ৪ থেকে প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত।

অন্যদিকে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার কমেছে মোটের ১৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ। গত জুনের শেষে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ধারণ করা শেয়ারের হার ছিল ২০ দশমিক ১৭ শতাংশ, যা জুলাই শেষে মাত্র ৩ দশমিক ৮২ শতাংশে নেমেছে। অবশ্য একই সময়ে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিত শেয়ার ধারণের হার ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়ে ৮৬ দশমিক ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও হয়তো প্রকৃত লেনদেন হয়নি। বিশ্নেষণে আরও দেখা গেছে, প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণের হার কমায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা মাইডাস ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রেও ডাচ্‌-বাংলার মতো ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে প্রকৃত প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ধারণের হার কমার শীর্ষে ছিল ঢাকা ইন্স্যুরেন্স। বীমা কোম্পানিটি থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ৭ দশমিক ৬২ শতাংশ কমে ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশে নেমেছে। এর পরের অবস্থানে থাকা নূরানী ডাইং, রূপালী ইন্স্যুরেন্স এবং আনলিমা ইয়ার্ন থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার কমেছে ৫ শতাংশের ওপর।

এদিকে: এসিআইয়ের শেয়ার ধারণের হার পরিবর্তনের তথ্য বিবেচনায় না নিলে গত মাসে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল নিউ লাইন ক্লোথিংস। কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার মোটের ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেড়ে ২৭ দশমিক ৫৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এর পুরোটা এসেছে পাবলিক শেয়ার অংশ থেকে।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা এবি ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার মোটের ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়ে ৩৩ দশমিক ৮৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই শেয়ারের প্রায় সমান অংশ কমেছে উদ্যোক্তা-পরিচালক অংশ থেকে। চতুর্থ অবস্থানে থাকা এশিয়া ইন্স্যুরেন্সে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার মোটের সাড়ে ৬ শতাংশ বেড়ে ২১ দশমিক ৬১ শতাংশে, পঞ্চম অবস্থানে থাকা ফরচুন সুজে মোটের সাড়ে ৫ শতাংশ বেড়ে সাড়ে ১৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

সংশ্নিষ্ট কোম্পানির মোট শেয়ার বিবেচনায় সি পার্ল রিসোর্ট, সিনোবাংলা এবং ইনটেকের মোট শেয়ার বিবেচনায় প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার বেড়েছে ৪ শতাংশের বেশি। ৩ থেকে পৌনে ৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে এসকে ট্রিমস, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, এফএএস ফাইন্যান্স ও জেনেক্স ইনফোসিসের। মোট শেয়ার বিবেচনায় ২ থেকে ৩ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার ধারণ বেড়েছে অ্যাকটিভ ফাইন, মুন্নু স্টাফেলার্স, ইস্টার্ন হাউজিং, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স ও ইন্ট্রাকো সিএনজির।

অন্যদিকে ডাচ্‌-বাংলা ও মাইডাস ফাইন্যান্সের তথ্য বিবেচনায় না নিলে প্রকৃত লেনদেনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার কমার শীর্ষে ছিল ঢাকা ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটি থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার মোটের ৭ দশমিক ৬২ শতাংশ কমেছে। গত জুনের শেষে বীমা কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার ছিল মোটের ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ,  যা জুলাইয়ের শেষে ১০ দশমিক ৪৮  শতাংশে নেমেছে।