ঢাকা, রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আরএইচকে গ্লোবালের সঙ্গে ইন্দো-বাংলার চুক্তি

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-২৮ ০৮:৩২:১৮ || আপডেট: ২০১৯-০৮-২৮ ০৯:১০:৩০

রফতানির উদ্দেশ্যে হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আরএইচকে গ্লোবাল (এইচকে) লিমিটেডের সঙ্গে ওষুধ উৎপাদন চুক্তি করেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড সুপার ট্রেমেক্স- ১০০এমজি ব্র্যান্ডের ট্যাবলেট উৎপাদন করবে। ওষুধটির জেনেরিক নামÑট্রামাডোল। আরএইচকে গ্লোবাল লিমিটেডের কাছে উৎপাদিত ওষুধ রফতানির চুক্তি করেছে কোম্পানিটি। চুক্তির ফলে প্রতি বছর ইন্দো-বাংলা ফার্মা এক হাজার ২০০ মিলিয়ন ট্যাবলেট উৎপাদন করবে। এ থেকে কোম্পানিটির বছরে ৬০০ মিলিয়ন বা ৬০ কোটি টাকা আয় হবে।

এদিকে, মঙ্গলবার ডিএসইতে কোম্পানির শেয়ারদর চার দশমিক ২০ শতাংশ বা এক টাকা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২৪ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২৫ টাকা। ওইদিন কোম্পানিটির আট কোটি ৮৫ লাখ ১৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ৩৫ লাখ ৩১ হাজার ৮৬৮টি শেয়ার মোট দুই হাজার ৯৮ বার হাতবদল হয়। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনিম্ন ২৪ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ২১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৪৭ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৩৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ১৯ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ২১ পয়সা ও ১২ টাকা ৮৪ পয়সা। ২০১৮ সালে কোম্পানিটি মুনাফা করেছে ৯ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। যা তার আগের বছর ছিল আট কোটি ৮৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটি ২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করেছে। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ২১ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এছাড়া কোম্পানিটির ১০ কোটি ২৩ লাখ শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১২ দশমিক ২১ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী শূন্য দশমিক শূন্য আট শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৩৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ শেয়ার।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১৮ দশমিক ৫২ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৬ দশমিক ৫৯। কোম্পানিটির চলতি আর্থিক বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০১৯) ইপিএস হয়েছে ৪৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৫ পয়সা। আর প্রথম তিন প্রান্তিক বা ৯ মাস শেষে (জুলাই, ২০১৮-মার্চ, ২০১৯) ইপিএস হয়েছে এক টাকা ১৩ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা দুই পয়সা।

তিন প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৯৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৭৪ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ এনএভি হয়েছে ১৩ টাকা ১৬ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩০ জুন ছিল ১৪ টাকা ১৯ পয়সা।